Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৮ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুবদল নেতাকে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা, থানায় মামলা

নোয়াখালী প্রতিনিধি
আগস্ট ৮, ২০২৬ ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কবিরহাটে আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতাকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) নিহতের বোন লাভলী বেগম বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় মামলাটি করেন। মামলার নম্বর-৪। এতে এজাহারনামীয় দুই আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে আজাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, মরদেহের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

নিহত আজাদ ওই গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিকভাবে মাদক সেবনে বাধা দেওয়া বা আড্ডাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তার চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে বাড়ির পাশের ডোবায় মরদেহ ফেলে গুমের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলে দাবি স্বজনদের।

জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, আজাদ স্থানীয় ক্লাবঘর এলাকায় ব্যবসা করার পাশাপাশি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে অতীতেও আজাদ একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত একই বাড়ির বাসিন্দারা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কবিরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।