কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি
‘এসো মিলি প্রাণে প্রাণে, বন্ধুত্বের বন্ধনে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের প্রথমবারের মতো পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ বছর পর পুরোনো সহপাঠীদের একসঙ্গে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। স্মৃতিচারণের পাশাপাশি বিদ্যালয়জীবনের নানা সোনালি মুহূর্তের কথা স্মরণ করেন তারা।
দিনব্যাপী আয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ আনন্দ ও আবেগের মিলনমেলায় পরিণত হয়। একে অপরকে আলিঙ্গন করে দীর্ঘদিনের পুরোনো বন্ধুত্বের স্মৃতি নতুন করে জাগিয়ে তোলেন তারা।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করা হয়। আয়োজকরা জানান, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক আত্মিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, বিদ্যালয়ের যেকোনো সংকটে পাশে দাঁড়ানো এবং আগামী প্রজন্মের জন্য কল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যেই এ আয়োজন। ভবিষ্যতেও প্রতিবছর এ ধরনের পুনর্মিলনী আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব শহীদ উল্লাহ মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আলহাজ্ব আব্দুল মবিন, আলহাজ্ব কবির হোসেন ও সন্তোষ চন্দ্র সেন এবং কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম।
পুনর্মিলনীতে অংশ নেওয়া ১৯৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থী জসিম উদ্দিন, বাহারুল আলম ও নাঈমুর রহমান লাভলু বলেন, ‘পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হলো। এই অনুষ্ঠান আমাদের নতুন করে স্কুলজীবনে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে খুব ভালো লেগেছে। কর্মজীবনের ব্যস্ততার বাইরে এভাবে একত্রিত হলে আনন্দ-বিনোদনের পাশাপাশি সম্পর্কও আরও দৃঢ় হয়।’
তারা আরও বলেন, ১৯৯১ সালের কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই মিলনমেলা এবার থেকে প্রতিবছর আয়োজনের মাধ্যমে পুরোনো বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

