Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেহেরপুরে মেয়েকে হত্যায় বাবার যাবজ্জীবন

মেহেরপুর প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ৯:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরে মেয়ে ববিতা খাতুন (১৮) হত্যা মামলায় বাবা বজলুর রহমানকে (৫৭) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বজলুর রহমান সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আওলাদ হোসেনের ছেলে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সাইদুর রাজ্জাক মামলার বিবরণ দিয়ে জানান, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ রাতে কুলবাড়িয়া গ্রামের ভৈরব নদ থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হওয়ার খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পরে নদ থেকে প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় গলায় ওড়না প্যাঁচানো অর্ধগলিত এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় মেহেরপুর সদর থানার তৎকালীন এসআই মকবুল হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়। নিহত তরুণী ববিতা খাতুন কুলবাড়িয়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে পুলিশ বজলুর রহমানকে আটক করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে বজলুর রহমান তার মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন মেহেরপুরের কাথুলী বাসস্ট্যান্ড থেকে ববিতাকে সঙ্গে নিয়ে পিকআপযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরে পিকআপ থেকে নামার পর ‘তুই আমাকে আর কত জ্বালাবি’—এ কথা বলে ববিতাকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। একপর্যায়ে ববিতা মাটিতে পড়ে গেলে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে তিনি চলে যান। পরে বাড়িতে গিয়ে কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে ফিরে ববিতার নিথর দেহ একটি বস্তায় ভরে পার্শ্ববর্তী ভৈরব নদে ফেলে দেন।

ঘটনার কয়েক দিন পর নদীর ওই এলাকা থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ২১ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পিপি সাইদুর রাজ্জাক এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট খন্দকার একরামুল হক হীরা মামলা পরিচালনা করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।