Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শৈলকুপায় ১২ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৮:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় শেখপাড়া-লাঙ্গলবাঁধ সড়কের বাক সরলীকরণ প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান এ প্রকল্পে নিম্নমানের ইট ও ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন এ প্রকল্পের আওতায় পাঠানপাড়া, পাইকপাড়া, কুশবাড়িয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থাপনা উচ্ছেদ করে সড়ক নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। ফাজিলপুর মহিলা কলেজ সংলগ্ন একটি পতিত জায়গায় নির্মাণসামগ্রী প্রস্তুত করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী সড়কের বেড ও এজিং তৈরিতে প্রথম শ্রেণির ইট ও ইটের খোয়া ব্যবহারের কথা থাকলেও বাস্তবে সেখানে ‘TOP10’ নামের নিম্নমানের ইটসহ ২ ও ৩ নম্বর মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্টদের নজর এড়িয়ে প্রকাশ্যে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে কাজ চালানো হচ্ছে। এতে সড়কের স্থায়িত্ব ও নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হলে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তারা আরও বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রভাবশালী হওয়ায় কিংবা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগসাজশের কারণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে পরিদর্শন ও পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

অভিযোগের বিষয়ে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তুহিন আল মামুন বলেন, ‘মেসার্স মইনুদ্দিন বাশী’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পেয়েছে। জমি অধিগ্রহণের ব্যয় বাদে প্রকল্পে প্রায় ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। আগামী জুন মাসের আগেই কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “এ প্রকল্পের কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। সব নির্মাণসামগ্রী ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হবে। অভিযোগের বিষয়টিও তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।