জয়পুরহাট প্রতিনিধি
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ মিল্টনের বিরুদ্ধে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের ১ লাখ ১০ হাজার টাকা আত্মসাৎ, চুক্তিভঙ্গ ও আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চেয়ারম্যান।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মিল্টন বলেন, গত ২৯ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের জন্য নওগাঁর মান্দা উপজেলার সূর্যমুখী যুব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক হাফিজুর রহমানের সঙ্গে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি হয়েছিল।
তিনি জানান, পরবর্তীতে সংস্থাটি ইউনিয়ন পরিষদের সরবরাহ করা রশিদ বইয়ের পাশাপাশি নকল রশিদ ছাপিয়ে ট্যাক্স আদায় করছে বলে জানতে পারেন। গত ৬ অক্টোবর বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। পরে ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করে সংস্থাটির ট্যাক্স আদায়ের কার্যক্রম বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সংস্থাটির পরিচালক ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, চুক্তি অনুযায়ী সংস্থাটির জামানত বাবদ দেওয়া ১ লাখ ১০ হাজার টাকার চেক এবং তাদের কমিশনের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আটকে রেখে মারধরের অভিযোগও সম্পূর্ণ মিথ্যা। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁকে হেয় করতে এসব অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, সূর্যমুখী যুব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক হাফিজুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যে অভিযোগ দিয়েছেন, সেখানে তাঁকে সাক্ষী করা হয়েছে বলে লোকমুখে জানতে পেরেছেন। অথচ এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
একই ধরনের বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, নুরবানু ও আরমিনা। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের সব ইউপি সদস্য ও সদস্যা উপস্থিত ছিলেন।

