মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাট-১ আসন (মোল্লাহাট-ফকিরহাট-চিতলমারী) কেন পুনর্বিন্যাস করা হবে না—এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আগামী ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপুর দায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্ট এ সংক্রান্ত রুল জারি করেন।
বাগেরহাট-১ আসনটি মোল্লাহাট, ফকিরহাট ও চিতলমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত। তবে সম্প্রতি ইসি আসন পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ফকিরহাটকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের মংলা ও রামপালের সঙ্গে এবং মোল্লাহাটকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের বাগেরহাট সদর উপজেলার সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এতে আসনের দীর্ঘদিনের ভৌগোলিক ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অনভিপ্রেত ও হয়রানিমূলক। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাগেরহাট-১ আসনের সর্বস্তরের মানুষ বিভিন্ন আন্দোলন, হরতাল ও কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে এডভোকেট শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু বলেন,
“বাগেরহাট-১ আসনের সীমানা পরিবর্তন করে মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। এ সিদ্ধান্ত গণমানুষের স্বার্থবিরোধী। আমরা ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।”
হাইকোর্টের রুল জারির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে তাদের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা আদালতে ব্যাখ্যা করতে হবে এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

