Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৫ জুন ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডি-নথি কেবল প্রযুক্তি নয়, এটি প্রশাসনিক সংস্কৃতি ও কর্মপদ্ধতির মৌলিক রূপান্তর : বাউবি উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
জুন ২৫, ২০২৬ ৯:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেছেন, “ডি-নথি কেবল একটি সফটওয়্যার বা প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি প্রশাসনিক সংস্কৃতি ও কর্মপদ্ধতির একটি মৌলিক রূপান্তরের প্রতীক।”

বাউবির আইকিউএসি এবং প্রশাসন বিভাগের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ডি-নথি ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক’ প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের শিক্ষক সেমিনার হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাউবির ই-লার্নিং সেন্টারে দুই ব্যাচে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

উপাচার্য বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার এবং স্মার্ট সেবার যুগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের ই-গভর্ন্যান্স ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডি-নথি। কাগজভিত্তিক দাপ্তরিক কার্যক্রম থেকে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনায় রূপান্তরের ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব হয়েছে।

ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ডি-নথির মাধ্যমে ফাইল নিষ্পত্তির সময় কমে আসে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়, নথির নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত হয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুততর হয় এবং সময়, শ্রম ও ব্যয় সাশ্রয় হয়। ফলে সেবাগ্রহীতারা দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পান।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং দক্ষ, জ্ঞানসমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিবান্ধব জনবল। তাই এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে একাডেমিক উন্নয়ন, গবেষণা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটালাইজেশন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণ প্রশাসনিক দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউবির প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সনদের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার বাস্তব প্রয়োগ। দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সেই দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, এটুআই-এর সিনিয়র কনসালট্যান্ট আবু সালেহ মো. মাহফুজুল আলম, জুনিয়র কনসালট্যান্ট মো. সজিবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা।

পরে প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান এবং ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

সমাপনী বক্তব্য রাখেন কম্পিউটার বিভাগের পরিচালক মো. মাসুম বিল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসএসএস বিভাগের উপ-পরিচালক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রশাসন বিভাগের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা শাখার যুগ্ম-পরিচালক ড. মো. শওকত আলী।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।