রুহুল আমিন,মেলান্দহ (জামালপুর) প্রতিনিধি
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের সাদিপাটি ও পচাবাহালা এলাকায় আলাই নদীর অব্যাহত তীরভাঙন পরিদর্শন করেছেন জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সংসদ সদস্যের নির্দেশনার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙনরোধী কার্যক্রম শুরু করে।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে তাদের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে। এ সময় সংসদ সদস্য ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
পরিদর্শন শেষে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, “আলাই নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করি। মানুষের জীবন, বসতভিটা ও কৃষিজমি রক্ষায় কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। তাই জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করা হয়েছে। এটি শুধু সাময়িক ব্যবস্থা নয়, নদীর স্থায়ী সমাধানের জন্যও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণে কাজ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সবসময় পাশে থাকব।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান, মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুনজুরুল কবীর মঞ্জু, সিনিয়র সহসভাপতি ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল কাদির শ্যামল তালুকদার, সহসভাপতি আলহাজ এম. রফিকুল ইসলাম রহিম, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুর রহমান ঠান্ডা, উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ লুৎফর রহমান লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সহসম্পাদক মো. রুহুল আমিন রাজু, উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মেহেদী হাছান মেহের, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. তৌহিদুল ইসলাম রঞ্জুসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়রা সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা আলাই নদীর তীর সংরক্ষণে একটি স্থায়ী প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান, যাতে প্রতি বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙনের আতঙ্কে বসবাস করতে না হয়।

