Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১২ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুদকের মামলায় বাখরাবাদের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড, ৩৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত

নোয়াখালী প্রতিনিধি
জুলাই ১২, ২০২৬ ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নোয়াখালী প্রতিনিধি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেডের সাবেক বিক্রয় সহকারী খালেদ সাইফউল্লাহ টিপুকে ৮ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জিত ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৬ টাকা ৯০ পয়সা মূল্যের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদ সাইফউল্লাহ টিপু ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন কানুনগোর ছেলে। তিনি বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেডের কুমিল্লার গৌরীপুর শাখায় বিক্রয় সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালে ফেনী সদর থানায় দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়। আদালত দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় তাকে ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ২৭(১) ধারায় ৫ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও আরও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে প্রতিটি ধারায় অতিরিক্ত ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। উভয় দণ্ড একত্রে ৮ বছরের কারাদণ্ড হিসেবে কার্যকর হবে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০০০ সালের ২৩ নভেম্বর থেকে ২০০৪ সালের ১৪ জুলাই পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে তিনি ১৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭১৮ টাকায় ৫১৯ দশমিক ৩৭ শতক জমি ক্রয় করেন এবং একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণে ৩৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৯১ টাকা ব্যয়ের তথ্য দেন। তবে প্রকৌশলীর প্রতিবেদনে ভবনটির প্রকৃত নির্মাণ ব্যয় ৬১ লাখ ৭ হাজার ৯৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া সোনাগাজীতে একটি মার্কেট নির্মাণের ব্যয় হিসাবেও অসঙ্গতি পাওয়া যায়।

দুদকের তদন্তে দেখা যায়, ভবন ও মার্কেট নির্মাণ ব্যয়ের তথ্য গোপন করে তিনি ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকার বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তদন্তে প্রমাণিত হয়।

মামলাটি তদন্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. মশিউর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন দুদকের নোয়াখালীর পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জহির উদ্দিন। তাকে সহযোগিতা করেন দুদকের নোয়াখালী কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিছ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।