বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পারিবারিক মনোমালিন্য ও পূর্ববিরোধের জেরে মেহেদী হাসান নামে এক যুবককে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে তার বাম হাত ভেঙে যাওয়াসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
ঘটনাটি গত ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার দত্তেরচর মিরেপাড়া এলাকায় ঘটে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে পারিবারিকভাবে মোছা. দিপু মনির সঙ্গে মেহেদী হাসানের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর দিপু মনি বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এরপর তিনি আর স্বামীর বাড়িতে ফিরে না আসায় দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি সমঝোতার জন্য গত ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মেহেদী হাসান তার শ্বশুরবাড়ি দত্তেরচর মিরেপাড়ায় যান। সেখানে তাকে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার বাম হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মেহেদী হাসানের অভিযোগ, মারধরের সময় তার পকেট থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা এবং প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি আইফোন নিয়ে নেওয়া হয়।
পরে তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

