Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজনৈতিক পরিচয়ে লুটপাট ও সম্পদ দখল করতেই রতনকে হত্যা: কর্নেল বাতেন এমপি

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি
অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের কাউনিয়ায় ফখরুল আলম রতন হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিল, লুটপাট এবং সম্পদ দখলের উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিচরণ লস্কর (কুঠিরপাড়) গ্রামে নিহত রতনের বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

কর্নেল আব্দুল বাতেন বলেন, ফখরুল আলম রতন ছিলেন সদালাপী, ভালো ও নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। তাঁর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, কোনো পরিবার একটি রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করতে পারে কিংবা ভোট দিতে পারে—এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এ কারণে কাউকে নির্যাতন বা হত্যা করার কোনো যুক্তি নেই।

নিহত রতনের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক ও কর্মসূত্রে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল উল্লেখ করে সংসদ সদস্য বলেন, রতন তাঁর ছোট ভাইয়ের শ্যালক ছিলেন। পীরগাছায় তাঁর নিজস্ব মাদ্রাসায় অফিস সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন রতন।

কর্নেল বাতেন আরও অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে শুধু এই পরিবার নয়, তাঁর জানা মতে আরও প্রায় ২০টি পরিবার লুটপাট, জুলুম-নির্যাতন ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের শিকার হয়েছে। এসব পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া এবং কাউকে কাউকে এলাকায় বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের নাম ব্যবহার করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থানীয় উপজেলা ও জেলা নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে যারা অপরাধ করছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দল থেকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।

হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা এলাকাভিত্তিক বিরোধ থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন আব্দুল বাতেন। তিনি বলেন, দুই পাড়া বা দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু সেই বিরোধের জেরে কাউকে হত্যা করার কোনো আইনগত বা যুক্তিসংগত ভিত্তি নেই। কেউ অপরাধে জড়িত থাকলেও তাঁর দায়ে পরিবারের অন্য সদস্যকে হত্যা করা যায় না।

উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর কাউনিয়া উপজেলার কুঠিরপাড় এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে ফখরুল আলম রতনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় কুর্শা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজনু মিয়ার নেতৃত্বে ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য হায়দার আলীসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, এ ঘটনায় খলিলুর নামে একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও অন্য অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানা যায়নি।

কর্নেল আব্দুল বাতেন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।