Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কালাইয়ে অবৈধভাবে দুই দশক ধরে বেতন-ভাতা উত্তোলন, ফেরত না দিয়েই পদত্যাগ ক্বারী শিক্ষকের

মো.মোকাররম হোসাইন, কালাই (জয়পুরহাট) 
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫ ২:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো.মোকাররম হোসাইন, কালাই (জয়পুরহাট) 

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পাঁচগ্রাম জান্নাতুল নূরী দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শাখার ক্বারী শিক্ষক মো. আব্দুল গফুর মুজাব্বিদ সনদ ছাড়াই প্রায় দুই দশক ধরে চাকরি করে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা উত্তোলন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী ১৩ লাখ টাকার বেশি ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ সাত বছরেও তা ফেরত দেননি তিনি। বরং মাদ্রাসার সুপারের সঙ্গে যোগসাজশ করে অব্যাহতি নিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন আব্দুল গফুর। নিয়োগের সময় তার মুজাব্বিদ সনদ না থাকলেও দুই বছরের মধ্যে সনদ অর্জনের শর্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা পূরণ না করেই চাকরিতে বহাল ছিলেন। ২০০২ সালের ১ মে থেকে ২০১৮ সালের ৩০ মে পর্যন্ত সরকারি কোষাগার থেকে ৯ লাখ ১৪ হাজার ১৫০ টাকা তিনি বেতন-ভাতা হিসেবে গ্রহণ করেন।

 

২০২২ সালের ১৮ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় তার অবৈধভাবে উত্তোলিত অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। একইসাথে ২০২৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পুনরায় চিঠি পাঠানো হলেও কোনো টাকা ফেরত দেননি তিনি। বরং সুপারের সহযোগিতায় গত বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত নিয়মিত বেতন তুলেছেন।

 

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী মনোয়ারুল হাসান বলেন, “চাকরি থেকে অব্যাহতি নিলেও আব্দুল গফুরকে সরকারি টাকা ফেরত দিতেই হবে। অন্যথায় মামলা হবে এবং ভবিষ্যতে সবধরনের সরকারি সুবিধা থেকে তিনি বঞ্চিত হবেন।”

 

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন জানান, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

 

তবে অভিযুক্ত ক্বারী শিক্ষক আব্দুল গফুর দাবি করেন, তাকে সনদ অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফেরত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চাকরি করেছি, বেতন পাইছি, ফেরত দিবো কেন?”

 

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সুপার মো. আনোয়ার হোসেনও এই অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত। তাই তিনি ফেরতের কোনো উদ্যোগ নেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, “আগে সুপারের শাস্তি হওয়া দরকার।”

 

মাদ্রাসা সভাপতি আনজুম আলী জানান, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।