Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৬ জুন ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মধুখালীতে জাল সনদে ৯ বছর চাকরির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের কার্যক্রম স্থগিত

মধুখালী(ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
জুন ৬, ২০২৬ ১:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মধুখালী(ফরিদপুর) প্রতিনিধি 

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোরকদি ইউনিয়নের বন্দর শংকরপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. আলম হোসেন মোল্যার বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর তদন্তে সনদ জাল প্রমাণিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আলম হোসেন মোল্যা ২০১৮ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত বন্দর শংকরপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি কখনো কওমি মাদ্রাসার কিতাব বিভাগে অধ্যয়ন না করেও জাল সনদ দাখিল করে নিয়োগ লাভ করেন এবং সরকারি বিধি অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী ২০১৯ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সাবেক সহকারী পরিচালক তদন্ত পরিচালনা করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে স্থানীয় শিক্ষক, মসজিদ কমিটির সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গঠিত ৬ সদস্যের একটি তদন্ত ও সনদ যাচাই-বাছাই কমিটি অভিযুক্ত শিক্ষকের সনদ পরীক্ষা করে। কমিটির সভাপতি ছিলেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সোহরাব হোসেন।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, যাচাই-বাছাই শেষে দাখিলকৃত সনদ জাল বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এরপরও অভিযুক্ত শিক্ষক চাকরিতে বহাল থাকার জন্য বিভিন্ন মহলে তদবির করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, জাল সনদের মাধ্যমে সরকারি চাকরি করে তিনি বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ গ্রহণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, চাকরি থেকে অব্যাহতি এবং সরকারি অর্থ ফেরত আদায়ের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. আলম হোসেন মোল্যা বলেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যক্তি যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য ছিলেন। সেখানে আমি কতটুকু ন্যায়বিচার পেতে পারি, সেটিই প্রশ্ন। আমার সনদ জাল নয়। আমার সনদে একই ব্যক্তির স্বাক্ষর রয়েছে। অভিযোগকারীরা ভিন্ন ধরনের স্বাক্ষরযুক্ত সনদ কোথা থেকে পেয়েছেন, তা আমার জানা নেই।”

যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য মুফতি কামরুজ্জামান বলেন, “যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাকে সনদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের পাস করা বিষয় সম্পর্কেই সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। এতে কমিটির সদস্যদের কাছে তার সনদগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।”

ফরিদপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. ইয়াসিন মোল্যা বলেন, “মো. আলম হোসেন মোল্যার সব কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তার সনদপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।”

এ বিষয়ে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওশনা জাহান বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমার দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য আসেনি। এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনই বিস্তারিত বলতে পারবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।