Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ১০ জুন ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১৫ কোটি টাকার সড়ক ও ৩ সেতু চালুর অপেক্ষায়, ভাগ্য বদলের আশায় ফরিদপুরের ৪০ গ্রামের মানুষ

ফরিদপুর প্রতিনিধি
জুন ১০, ২০২৬ ২:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া (আগলী) ইউনিয়নের পীরেরচর বাজার থেকে হরিহাট বাজার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩টি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই প্রকল্প চালু হলে ভাঙ্গা, মুকসুদপুর ও নগরকান্দা উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ফরিদপুরের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ২০ জুনের মধ্যে সড়ক ও সেতুগুলোর নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এতদিন এই এলাকায় সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় গন্তব্যে পৌঁছাতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হতো। নতুন সড়ক ও সেতু চালু হলে তিন উপজেলার মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে নেমে আসবে। এতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ দ্রুত এবং নিরাপদে চলাচলের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও সহজ হবে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন স্থানীয় কৃষকেরা। তারা জানান, আগে উৎপাদিত ধান, পেঁয়াজ, গম, পাটসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হতো। নতুন সড়ক নির্মাণের ফলে এখন খেত থেকে সরাসরি ভ্যান, অটোরিকশা কিংবা ট্রাকে করে কৃষিপণ্য পরিবহন করা সম্ভব হবে। এতে সময়, শ্রম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এই প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতির কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়। পরে ফরিদপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আজহারুল ইসলামের কঠোর তদারকি ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং প্রকল্পটি দ্রুত সমাপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

ভাঙ্গা উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মালিক নাজমুল হাসান বলেন, “প্রকল্পটির কাজের গুণগত মান শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। আশা করছি, আগামী ২০ জুনের মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন হবে।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, সড়ক ও সেতুগুলো চালু হলে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হওয়ার পাশাপাশি কয়েক লাখ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই অবকাঠামো প্রকল্প।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।