Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৯ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধের কারণ জানতে চাওয়ায় নওগাঁয় সাংবাদিককে মামলার হুমকির অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি
জুলাই ১৯, ২০২৬ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র দুই বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। এ বিষয়ে তথ্য জানতে গিয়ে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক গোলাম মো. আজমের বিরুদ্ধে যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার শফিক ছোটনকে প্রকাশ্যে মামলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি কেন বন্ধ এবং কবে চালু হবে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপপরিচালক গোলাম মো. আজম সাংবাদিক শফিক ছোটনের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও মারমুখী আচরণ করেন। পরে বিষয়টি জানতে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী সেখানে গেলে তাদের সামনেও তিনি যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক ও ভিডিও জার্নালিস্টের বিরুদ্ধে মামলা করার কথা বলেন।

ঘটনার পর নওগাঁর টেলিভিশন সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শফিক ছোটন নওগাঁ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

প্রত্যক্ষদর্শী বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক আরমান হোসেন রুমন বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সাংবাদিকের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ করেন এবং পরে প্রকাশ্যে মামলা করার হুমকি দেন।

যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার শফিক ছোটন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের দুর্ভোগের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। এ সময় উপপরিচালক তার সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন, ভিডিও জার্নালিস্টকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং পরে মামলা করার হুমকি দেন।

নওগাঁ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার আসাদুর রহমান জয় বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সংগঠনটির সভাপতি ফরিদুল করিম বলেন, জনগণের স্বার্থে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, উপপরিচালককে প্রত্যাহার করা না হলে টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

অভিযোগের বিষয়ে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক গোলাম মো. আজম বলেন, ভিডিও জার্নালিস্ট অনুমতি ছাড়াই ক্যামেরা চালু করেছিলেন। সে কারণে তিনি কিছুটা উচ্চস্বরে কথা বলেছেন, তবে মারমুখী আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। মামলার হুমকির বিষয়ে তিনি বলেন, “মামলার হুমকি দিইনি, তবে যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক ও ক্যামেরাপার্সনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করব।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।