Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আলফাডাঙ্গায় ২৪ লাখ টাকা বকেয়া ও চাষাবাদে ক্ষতিপূরণের দাবি

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বকেয়া বেতন-ভাতা, বোনাস ও ছুটির টাকাসহ ২৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা পরিশোধ এবং ঘাস ও ভুট্টা চাষে আর্থিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. নাসিরুজ্জামান। একই সঙ্গে পাওনা আদায় ও নিরাপত্তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা ডাকবাংলোসংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাসিরুজ্জামান দাবি করেন, ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর মোহাম্মদীয়ার এমডি মো. ইমামুল হক জনির মাধ্যমে ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে লজিস্টিক ইনচার্জ হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. ইউসুফ আলামিনের অনুরোধে তার গরুর খামারের দায়িত্বও নেন।

নাসিরুজ্জামানের দাবি, শুরুতে মাসিক ৪৫ হাজার টাকা বেতনে কাজ করলেও পরে দায়িত্ব বাড়ায় বেতন ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা করার আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় জমি লিজ নিয়ে ঘাস ও ভুট্টা চাষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ কাজে জমির লিজ, শ্রমিক, বীজ, যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন খাতে তিনি অর্থ ব্যয় করেন। তবে উৎপাদিত ঘাস ও ভুট্টা নির্ধারিত দামে নেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বেতন বাবদ ১৯ লাখ ৮০ হাজার, বোনাস ১ লাখ ৩৫ হাজার, ছুটির টাকা ২ লাখ ৮২ হাজার এবং অন্যান্য বাবদ ৯০ হাজার টাকা—সব মিলিয়ে ২৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা তার পাওনা রয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৬৩ একর জমিতে ঘাস ও ভুট্টা চাষে লিজ, শ্রমিক, বীজ, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য খাতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। উৎপাদিত ঘাস না নেওয়ায় জমি পরিষ্কার করতেও অতিরিক্ত প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাসিরুজ্জামান। তবে কাগজপত্র যাচাইয়ের পর প্রকৃত ব্যয় ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

নাসিরুজ্জামানের আরও অভিযোগ, পাওনা পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বকেয়া অর্থ পরিশোধ, চাষাবাদে আর্থিক ক্ষতির প্রতিকার এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ইউসুফ আলামিনের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।