আমিনুল ইসলাম, দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলা ও হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে চলতি মৌসুমের নতুন পাট। মৌসুমের শুরুতেই পাটের ভালো দাম পাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে কৃষকদের মাঝে। বর্তমানে মাঠে পাট কাটা, জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষি ও শ্রমিকরা।
জেলার দুর্গাপুর, পুঠিয়া ও বাগমারা উপজেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি মণ নতুন পাট ৪ হাজার ৩০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, কোথাও কোথাও ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এ দাম কৃষকদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে।
দুর্গাপুর পৌর এলাকার দেবীপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ বলেন, “আগাম কিছু পাট কেটেছি। মণপ্রতি ৪ হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ধরনের দাম থাকলে কৃষকরা লাভবান হবেন।”
পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া গ্রামের কৃষক রাকিব উদ্দিন জানান, তিনি চলতি মৌসুমে প্রায় ১০ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। প্রতি বিঘায় উৎপাদন খরচ হয়েছে প্রায় ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকা। তিনি বলেন, “বর্তমান বাজারদর বজায় থাকলে উৎপাদন খরচ উঠে ভালো লাভ হবে।”
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১৮ হাজার ৩৯৯ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১ হাজার ৯৪ হেক্টর বেশি। এ বছর ৪৯ হাজার ৩৩৩ মেট্রিক টন পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর হাটে পাট বিক্রি করতে আসা কৃষক আব্দুস সোবাহান বলেন, “পাট চাষে সার ও সেচের খরচ কম হলেও জাগ দেওয়া ও শুকানোর জন্য শ্রমিক ব্যয় বেশি। বর্তমান দাম থাকলে লাভ হবে, তবে দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।”
পাট ব্যবসায়ী সলিম উদ্দিন জানান, এ বছর বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় অনেক এলাকায় পাট জাগ দেওয়ার উপযুক্ত পানির সংকট রয়েছে। ফলে কিছু পাটের রং ও মান তুলনামূলক ভালো হয়নি, যার কারণে অনেক কৃষক প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না।
রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, “এখন নতুন পাট উঠ

