Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ১ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার, সরকারি বিধি মেনেই পে-অর্ডার অবমুক্তি: শেরপুরের সাব-রেজিস্ট্রার

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
আগস্ট ১, ২০২৬ ৬:৫০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি জমির পে-অর্ডার অবমুক্তিকে কেন্দ্র করে ২০ লাখ ১৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন খণ্ডকালীন সাব-রেজিস্ট্রার নাঈমা সিদ্দিকা। তাঁর দাবি, সরকারি বিধি, প্রচলিত আইন ও ব্যাংকিং নিয়ম মেনেই পে-অর্ডার অবমুক্ত করা হয়েছে। অর্থ পরিশোধ বা পে-অর্ডার নগদায়নের ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ব্যাংকের নিজস্ব বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার আওতাধীন।

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সরকারি কোডে ই-চালানের মাধ্যমে জমা হওয়া অর্থ সরাসরি ব্যাংক থেকে ফেরত নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো কারণে দলিল নিবন্ধন সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে আবেদন করতে হয়। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে আবেদন ট্রেজারি বা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে পাঠানো হয় এবং সরকারি অনুমোদনের পর রিফান্ড দেওয়া হয়।

জানা গেছে, উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের খন্দকারটোলা মৌজার ৩২৮ শতক জমি কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকজন ক্রেতার মধ্যে বিরোধ চলছে। এ ঘটনায় করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ জুলাই উভয় পক্ষকে তদন্তের জন্য শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ডাকা হয়।

এর আগে একই জমির নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে পে-অর্ডার অবমুক্তিতে অনিয়ম এবং ২০ লাখ ১৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খণ্ডকালীন সাব-রেজিস্ট্রার নাঈমা সিদ্দিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন ক্রেতা সাদিকা খানম।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর জমি নিবন্ধনের জন্য ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকার আটটি পে-অর্ডার জমা দেওয়া হয়। তবে আইনি জটিলতায় দলিল নিবন্ধন না হওয়ায় পরে ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং ৭ মে প্রায় ১৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকার দুটি পে-অর্ডার অবমুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে অবশিষ্ট পে-অর্ডার নগদায়ন বন্ধ রাখতে আমমোক্তার মো. নূর আলম শাকিল সাব-রেজিস্ট্রার ও সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন।

শেরপুর সোনালী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মাহবুবুল আলম বলেন, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের প্রয়োজনীয় অবমুক্তির পর প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী দুটি পে-অর্ডারের অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। পরে আরও দুটি পে-অর্ডার নগদায়নের চেষ্টা হলে তা স্থগিত রাখা হয়।

অভিযোগে নাম আসা দলিল লেখকের সহকারী সামছু হোসেনও আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সমিতির সাবেক সভাপতি এস. এম. ফেরদৌস আলমের অনুরোধে ব্যাংকে গিয়ে তিনি পে-অর্ডারে সাক্ষর করেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পে-অর্ডারের অর্থ তাঁদের হাতে তুলে দেন।

আমমোক্তার মো. নূর আলম শাকিল বলেন, “কে টাকা নিয়েছে, তা রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষ জানে। আমাকে অযথা এ ঘটনায় জড়ানো হচ্ছে। অফিস টাকা দেওয়ার আগে মূল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারত।”

এ বিষয়ে সমিতির সাবেক সভাপতি এস. এম. ফেরদৌস আলম এবং অফিস সহকারী জাহিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খণ্ডকালীন সাব-রেজিস্ট্রার নাঈমা সিদ্দিকা বলেন, সরকারি অর্থের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাংকের অনুরোধে পে-অর্ডারে প্রতিস্বাক্ষর দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক তাদের নিজস্ব বিধি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করেছে। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং যেকোনো তদন্তে আমি পূর্ণ সহযোগিতা করব।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।