Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আলফাডাঙ্গায় জমি বিরোধে রডের আঘাতে বড় ভাইয়ের হাত ভাঙার অভিযোগ

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাই মো. ওসমান মোল্যাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাই মো. নুরুল হকের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওসমান মোল্যার স্ত্রী মোছা. রূপবান বেগম বাদী হয়ে নুরুল হকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা থানায় এজাহার দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জমিজমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে ঘটনার দিন দুপুর ১টার দিকে নুরুল হকের নেতৃত্বে তাঁর পরিবারের সদস্যসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন রূপবান বেগমের বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তারা ওসমান মোল্যাকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে ঘরের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশেরও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরে তারা লোহার রড দিয়ে ওসমান মোল্যার মাথায় আঘাত করেন। এ সময় তিনি বাম হাত দিয়ে আঘাত ঠেকানোর চেষ্টা করলে তাঁর বাম হাত গুরুতর জখম ও হাড় ভেঙে যায়।

আহত ওসমান মোল্যার স্ত্রী ও মামলার বাদী মোছা. রূপবান বেগম এ অভিযোগ করেন।

ওসমান মোল্যার ছেলে নাইম মোল্যা বলেন, বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাকেও লাঠি দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। এ সময় ডলি বেগম ধারালো বটি দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাতের চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে তা ঠেকাতে গিয়ে বাম হাতের তর্জনীতে কাটা জখম হন। পরে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত ওসমান মোল্যা ও তাঁর ছেলে নাইম মোল্যাকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওসমান মোল্যার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাওয়া না যাওয়ায় এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার বলেন, “অভিযোগটি আমলে নিয়ে এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।