কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় নাশকতার পরিকল্পনা, মহাসড়ক অবরোধ, বিএনপি নেতাদের মারধর এবং মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২০ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই মামলায় আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা ও রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই বিকেলে উপজেলার তিলছড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, বাদী ইমদাদুল হক মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা তার ও তার সঙ্গীর ওপর হামলা চালায়। তাদের মারধরের পাশাপাশি ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে ১২০ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে কাশিয়ানী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান বলেন, “নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, যানবাহন চলাচলে বাধা, বিএনপি নেতাদের মারধর এবং মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

