Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৬ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মহারাজা দিঘীতে যুবকের মরদেহ: রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি, আপন বোন গ্রেফতার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
জুলাই ১৬, ২০২৬ ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভিতরগড় এলাকার মহারাজা দিঘীতে ভেসে ওঠা এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের আপন বড় বোন মোছা. সমলা আক্তার (২৪)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার ১ নম্বর অমরখানা ইউনিয়নের ভিতরগড় গ্রামের মহারাজা দিঘীতে স্থানীয়রা এক যুবকের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে সদর থানা পুলিশ, ডিবি, সিআইডির ফরেনসিক টিম ও পিবিআই ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।

পরবর্তীতে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি সদর উপজেলার মালাদাম এলাকার বাসিন্দা মো. মানিক হোসেন (১৯), রইস উদ্দীনের ছেলে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে নিহতের কোমরে পলিথিনে মোড়ানো একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। ওই চিরকুটের লেখার সূত্র ধরে সমলা আক্তারের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একই ধরনের লেখা সম্বলিত একটি ক্যালেন্ডার জব্দ করা হয়।

এরপর সমলা আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

ডিবি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সমলা আক্তার জানান, কয়েক মাস আগে তার ছোট ভাই মানিক তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করত। বিষয়টি তিনি কাউকে জানাতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং একপর্যায়ে স্বামীকে জানান।

পুলিশের দাবি, গত ১৩ জুলাই সমলা আক্তার কৌশলে মানিককে মহারাজা দিঘী এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে খাবারের পানিতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ানোর পর রাতে দিঘীর পশ্চিম পাড়ে নিয়ে যান। এরপর মানিকের মোবাইল ফোন পানিতে ফেলে দেন এবং আগে থেকে লেখা একটি চিরকুট তার কোমরে গুঁজে রেখে চলে যান। পরে অন্য একজন ব্যক্তি মানিককে হত্যা করে মরদেহ দিঘীতে ফেলে দেয় বলে সমলা আক্তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্তে নিহতের ব্যবহৃত দ্বিতীয় একটি বাটন ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সমলা আক্তারকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।