Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১০ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২১ বছরেও শেষ হয়নি ধর্ষণ মামলা, আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাদীপক্ষ

গাজীপুর প্রতিনিধি 
মে ১০, ২০২৬ ৬:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গাজীপুর প্রতিনিধি 

ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার বিচার শেষ হতে হতে কেটে গেছে ২১ বছরেরও বেশি সময়। ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া কন্যাসন্তানের বয়স এখন ২১ বছর—তারও বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে, অথচ মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

রোববার (১০ মে ) গাজীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার ১১তম যুক্তিতর্কের ধার্য তারিখ ছিল। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবীর অসুস্থতার আবেদনের কারণে শুনানি না করেই বিচারক এ কে এম নাসির উদ্দিন এজলাস ত্যাগ করেন। এ সময় আদালতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মামলার বাদী রিকশাচালক ইদ্রিস আলী, তার ধর্ষিতা মেয়ে ফাতেমা এবং ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া নাতনি লিমা (২১)। একপর্যায়ে তারা চিৎকার করে বলতে থাকেন, “গরিব বলে কি বিচার পাব না?”

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইদ্রিস আলী বলেন, “টাকার কাছে কি সবাই বিক্রি হয়ে যাবে? আমি গরিব মানুষ, রিকশা চালাই। আমার মেয়ের ইজ্জত গেছে, নাতনিকে ২১ বছর কষ্ট করে মানুষ করেছি। এখনও কি তার কোনো স্বীকৃতি বা বিচার মিলবে না?”

তিনি আরও জানান, বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যখন এ আদালতের বিচারক ছিলেন, তখন ২০০৪ সালের ২১ জুন টঙ্গী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং-২১)। এরপর ১০ জন বিচারক বদলি হয়েছেন, কিন্তু বিচার এখনও শেষ হয়নি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বাড়িওয়ালার ছেলে রুহুল আমীন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফাতেমাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে রুহুলের বাবা রফিকুল ইসলাম ও মা নূরুন্নাহার গর্ভপাতের চেষ্টা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পর ২০১৪ সালে রুহুল আমীনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে পিবিআই পুনঃতদন্ত করে ডিএনএ পরীক্ষাসহ ২০১৮ সালে তিন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি মামলাটি যুক্তিতর্কের জন্য রাখা হয়। এরপর এটি ১১ বার পিছিয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু তাহের নয়ন বলেন, “আমরাও চাই দ্রুত নিষ্পত্তি। কিন্তু বিচারকের আন্তরিকতা না থাকলে আমাদের করার খুব বেশি কিছু থাকে না।”

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান বিচারক ২০২৪ সালের নভেম্বরে যোগ দিয়েছেন। এরপর থেকে মামলাজট কমানোর গতি সন্তোষজনক নয়। বিচারপ্রার্থীরা অভিযোগ করেন, বিচারক প্রায়ই দুপুরের পর এজলাসে ওঠেন এবং স্বল্প সময় আদালত পরিচালনা করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।