Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ১৫ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুষ্টিয়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখের বেশি পশু, লাভের আশায় ব্যস্ত খামারিরা

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
মে ১৫, ২০২৬ ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় হাটে তোলা হচ্ছে পশু। কোরবানির ঈদে সবসময়ই কুষ্টিয়ার গরুর বাড়তি চাহিদা থাকে। আর ক্রেতাদের চাহিদার যোগান দিতে কুষ্টিয়া জেলায় এবছর ২ লাখের বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাকৃতিক উপায়ে ও দেশীয় পদ্ধতিতে গরু লালন-পালন ও মোটাতাজা করেছেন খামারিরা। তাই লাভের আশায় শেষ মুহূর্তে পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছেন তারা। আবার অনেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পশুর হাটে ও ব্যাপারীদের কাছে খামারে পালন করা গরু বিক্রি করে লাভের মুখও দেখেছেন। তবে দেশের বাইরে থেকে পশু আমদানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন খামারিরা।

গরু লালন-পালন কুষ্টিয়ার ঐতিহ্য। আর এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এবং কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এবছরও জেলার প্রায় ১৯ হাজার খামার ও কৃষকের বাড়িতে ২ লাখের বেশি বিভিন্ন প্রজাতির কোরবানির পশু মোটাতাজা করা হয়েছে। যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হবে।

বিভিন্ন পর্যায়ের প্রান্তিক খামারি ও পশু পালনকারীরা বলছেন, পশু খাদ্যের দাম বেড়েছে, তাই বাড়তি দামে পশু বিক্রি করতে না পারলে লোকসান গুনতে হবে, হারাতে হবে পুঁজি। আবার দেশের বাইরে থেকেও যেন পশু আমদানি না করা হয় এমন দাবি তাদের।

জেলার সীমান্তবর্তী দৌলতপুর উপজেলার সাদীপুর গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি জিয়াউল ইসলাম বলেন, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এবছর তিনি ৫টি গরু পালন করেছেন। গো-খাদ্যসহ পশু পরিচর্যার সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই গরু পালনে খরচও বেড়েছে। পরম যত্নে লালন-পালন করা গরুর ন্যায্য দাম না পেলে পুঁজি হারাতে হবে।

আবার গরুর খামারে কাজ করে অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে। দীর্ঘদিন খামারে কাজ করে তাদের সংসারে স্বচ্ছলতাও ফিরেছে। তাই পরম যত্নে লালন-পালন করা পশুগুলো কোরবানির পশুর হাটে নেওয়ার জন্য দিন-রাত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বলে জানিয়েছেন পশু পরিচর্যাকারী তমাল হোসেন।

বুধবার বিকালে কুমারখালী উপজেলার আলাউদ্দিন নগর পশুর হাটে কথা হয় ঢাকার এক ক্রেতা বা ব্যাপারীর সাথে। তিনি জানান, আজকের এ হাট থেকে ১০টি গরু কিনেছেন। সর্বনিম্ন দামে যে গরুটি কিনেছেন তার দাম পড়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। যা গতবছর ছিল ১ লাখ টাকার নিচে। ২ লাখ টাকার ওপরেও তিনি গরু কিনেছেন। এবছর গরুর বাজার চড়া বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আল মামুন হোসেন মণ্ডল জানান, এবছর জেলায় ছোট-বড় প্রায় ১৯ হাজার খামারে দুই লাখের বেশি গরু লালন-পালন করা হয়েছে। কোনো ক্ষতিকর ও ভেজাল খাদ্য ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। খামারিদের পরামর্শসহ সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে লাভের আশায় দৌলতপুরসহ কুষ্টিয়া জেলার ছোট-বড় খামারিরা দীর্ঘ একটি বছর বা তারও বেশি সময় ধরে পশু পালন করে থাকেন। দিন-রাত পরিশ্রম ও পরম যত্নে লালন-পালন করা পশু বিক্রিতে লোকসান হলে পশু পালনে আগ্রহ হারাবেন তারা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।