Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ১৮ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুর প্রতিনিধি
মে ১৮, ২০২৬ ৫:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুর পৌর শহরের আমিরাবাদ এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মায়ের মরদেহ খাটে পড়ে ছিল, আর একই সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় শিশুসন্তান ও তার বাবার মরদেহ।

রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন চিন্ময় দাস (২২), তার স্ত্রী ইশা দাস (১৯) এবং তাদের ৮ মাস বয়সী কন্যাশিশু জেনি। চিন্ময় দাস মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের রিপন দাসের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে চিন্ময় দাস তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে চিকিৎসা শেষে ঢাকা থেকে মাদারীপুরে আসেন। ইশা দাস নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। তারা আমিরাবাদ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন, যেখানে তাদের দূর সম্পর্কের আত্মীয় মিষ্টি বাড়ই ভাড়া থাকতেন।

মিষ্টি বাড়ই জানান, চিন্ময় দাস পরিবারসহ বাসায় আসার পর তিনি ঘরের চাবি দিয়ে পুরান বাজারে যান। পরে রাত ৯টার দিকে ফিরে এসে অনেক ডাকাডাকি করেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে।

তিনি আরও জানান, তিনি গোপালগঞ্জ জেলার সাতপাড় এলাকার সুমন বাড়ৈর মেয়ে। তার স্বামী যতীন বাড়ৈ দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে রয়েছেন।

তবে বাড়ির মালিক সান্তনা রানী দত্ত বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে মিষ্টি বাড়ই ওই বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন এবং তার স্বামী মাঝেমধ্যেই সেখানে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এখন তিনি স্বামীকে ইতালিপ্রবাসী বলছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, পুলিশ রুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ইশা দাসের মরদেহ খাটের ওপর পড়ে থাকতে দেখে। একই সঙ্গে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় চিন্ময় দাস ও তাদের ৮ মাস বয়সী শিশু জেনির মরদেহ।

পরে ভোর ৫টার দিকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে চিন্ময় প্রথমে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে শিশুকন্যাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেন। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।