আর.কে.বাপ্পা,দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় নিজের মুদি ও চায়ের দোকানে ৯ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চর রহিমপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের স্ত্রী মোছা. নাসিমা খাতুন বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করেন। ভিকটিম ওই উপজেলার টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গত শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভিকটিম বাড়ির পাশের চরশ্রীপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমানের (৩৪) দোকানে খাবার কিনতে যায়। অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর প্রতিবেশী হওয়ায় মেয়েটি তার দোকানে যায়। এসময় মোস্তাফিজুর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। মেয়ে রাজি না হলে দোকানে কোনো লোকজন না থাকার সুযোগে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
মেয়ের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে দোকানের মধ্যে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে।
বাদী নাসিমা খাতুন এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ইতোপূর্বে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে এবং কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়েছে।
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম জানান, “ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করে। ভিকটিমের জবানবন্দি বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারায় গ্রহণ করা হয়েছে এবং তার মেডিকেল পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরায় পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।”
মামলা নং-০৫, তারিখ: ০৩-০৭-২০২৬।

