Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৪ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মধুখালীতে পাটের বাম্পার ফলনের আশা, কৃষকের মুখে ‘সোনালী স্বপ্ন’

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
জুলাই ৪, ২০২৬ ৩:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সরকারি সহায়তা এবং বাজারে পাটের ভালো দামের প্রত্যাশায় পাট চাষে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মধুখালীতে ৮ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তা ছাড়িয়ে মোট ৮ হাজার ৬৫৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। উপজেলার রায়পুর, মেগচামী, কোরকদী, বাগাট, কামারখালীসহ পৌর এলাকার বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে পাটের চাষ হয়েছে।

কামারখালী ইউনিয়নের সালামতপুর গ্রামের কৃষক মিল্টন বলেন, মৌসুমের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের গাছ ভালোভাবে বেড়ে উঠেছে। তবে পাট জাগ দেওয়ার জন্য জলাশয়ের সংকট বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডোবা ও খাল-বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় একই স্থানে বারবার পাট জাগ দিতে হচ্ছে, এতে আঁশের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কোরকদী ইউনিয়নের পাঁচ কোরকদী গ্রামের কৃষক কার্তিক কুমার জানান, তার পাটগাছ ইতোমধ্যে ৪ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত বেড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলনের পাশাপাশি লাভজনক দাম পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

রায়পুর ইউনিয়নের ব্যাসদী গ্রামের কৃষক আব্দুল হাকিম শেখ বলেন, তিনি আড়াই একর জমিতে পাট চাষ করেছেন। পাটগাছ প্রায় ১৪ থেকে ১৫ ফুট লম্বা হয়েছে এবং বাম্পার ফলনের আশা করছেন। তবে আষাঢ়ের শেষ দিকে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় পাট জাগ দেওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা বৃষ্টির পানির ওপরই নির্ভর করি। গত বছরের মতো দাম পেলে পাট চাষে ভালো লাভ হবে।”

এদিকে “উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্প”-এর আওতায় কৃষকদের বিনামূল্যে উন্নতমানের বীজ ও সার বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে পাট চাষের প্রশিক্ষণও দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহবুব ইলাহী বলেন, অনুকূল বৃষ্টিপাতের কারণে এ বছর পাটের আবাদ ও গাছের বৃদ্ধি সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ ও তদারকি করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, চলতি মৌসুমে কৃষকরা পাট ও পাটকাঠি বিক্রি করে ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। তবে পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদিত আঁশের মান আরও উন্নত হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।