কালকিনি ও ডাসার প্রতিনিধি
মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজের নাম জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মো. বাবুল বয়াতি। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালকিনি থানার এসআই হানিফ সরকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত ও অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ি করিমগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা মো. বাবুল বয়াতি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ৩ মার্চ ২০২৬ মো. আলাউদ্দিন বেপারী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাবুল বয়াতির বাবা মো. ছরোয়ার বয়াতির বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ধার নেওয়ার অভিযোগ আনা হয় এবং বাবুল বয়াতিকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়।
বাবুল বয়াতির দাবি, ওই অর্থ লেনদেনের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, বাদী নিজেই স্বীকার করেছেন যে তার বাবাকে খুঁজে না পাওয়ায় কৌশলে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি ভিডিও রেকর্ডিং তার কাছে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হানিফ সরকার তদন্ত চলাকালে তাকে একান্তে দেখা করার জন্য চাপ দেন। এতে সাড়া না দেওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদনে পাঁচজন সাক্ষীর নামে মিথ্যা জবানবন্দি যুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তার অভিযোগ।
সংবাদ সম্মেলনে বাবুল বয়াতি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা দুই সাক্ষী—মো. কামাল বেপারী ও আব্দুর রহিম সরদার—তার কাছে স্বীকার করেছেন যে, তারা আদালতে তার বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্য দেননি। এ বিষয়ে অডিও রেকর্ডও তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি মামলাটির নিরপেক্ষ ও পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

