Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১২ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুবিতে ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালিত, আহত শিক্ষার্থী-সাংবাদিকদের সম্মাননা

কুবি প্রতিনিধি
জুলাই ১২, ২০২৬ ১০:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তারিন বিনতে এনাম এবং আইসিটি বিভাগের প্রভাষক মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় কোরআন তিলাওয়াত, গীতা পাঠ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী আটজন স্থানীয় ব্যক্তি এবং অংশগ্রহণকারী আরও ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলাইমান। এছাড়া প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ন্যায় ও মানবতার ভিত্তিতে একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণদের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনের শিক্ষার্থীদের সাহস, আত্মত্যাগ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিন্ডিকেট সভাতেই ১১ জুলাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা শান্ত ও নম্র হলেও সময়ের প্রয়োজনে প্রতিবাদী ও প্রতিরোধী। ২০২৪ সালের আন্দোলনে তারা তা প্রমাণ করেছে।”

মুখ্য আলোচক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন, “১১ জুলাইয়ের প্রতিরোধ শুধু একটি ঘটনার স্মৃতি নয়; এটি সাহস, ঐক্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থানের প্রতীক। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসন, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণই আন্দোলনকে সফল করেছে।”

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার অনুষ্ঠানের সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারী সকলকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং শিক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।