জয়পুরহাট প্রতিনিধি
জয়পুরহাটের কালাইয়ে স্বামীর মারধরে গুরুতর আহত মাসুদা বেগম (৩৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় মেহেদী হাসান শাপলা (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত মাসুদা বেগম কালাই উপজেলার হারুঞ্জা সাহাপাড়া গ্রামের মৃত দিলবর মণ্ডলের মেয়ে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে একই গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে মেহেদী হাসান শাপলা লোহার রড ও প্লাস দিয়ে মাসুদা বেগমকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্বজনরা তাকে প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা করান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের সহোদর ভাই বশির উদ্দিন বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, মামলার আসামি মেহেদী হাসান শাপলাকে স্থানীয় গ্রামবাসী আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
কালাই থানার ওসি (তদন্ত) দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বলেন, মাসুদা বেগমকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মেহেদী হাসান শাপলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগীর মৃত্যু হওয়ায় মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

