Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই, তালাবদ্ধ অপারেশন থিয়েটার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৬:৫১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার থাকলেও কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। দীর্ঘদিন ধরে অপারেশন থিয়েটারে নিয়মিত অস্ত্রোপচার না হওয়া, চিকিৎসক সংকট, ওষুধের স্বল্পতা ও বিভিন্ন সেবা নিয়ে রোগীদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারটি তালাবদ্ধ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপারেশন থিয়েটার থাকলেও সেখানে নিয়মিত সিজারিয়ানসহ অন্যান্য অস্ত্রোপচার করা হয় না। বছরে মাত্র এক-দুটি সিজারিয়ান অপারেশন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অথচ হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক সিজারিয়ান অপারেশন হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা সরাইল সদরের নাথপাড়ার বাসিন্দা সোহেল মিয়া ও দেওড়া গ্রামের রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসক সংকটের কারণে তারা ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। প্রয়োজনীয় সব ওষুধ হাসপাতাল থেকে না পেয়ে বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালে জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও তা চালু করা হয় না। এছাড়া হাসপাতালের খাদ্য তালিকা অনুযায়ীও খাবার পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেন তারা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৩০টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত দেখানো হয়েছে ১৬ জনকে। তবে তাদের মধ্যে পাঁচজন চিকিৎসক ডেপুটেশনে রয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন চিকিৎসক প্রায়ই ছুটিতে থাকায় জনবল সংকটে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা সৈয়দটুলা গ্রামের রশিদ মিয়া বলেন, “আমরা দরিদ্র মানুষ। ৬০ টাকা গাড়িভাড়া দিয়ে হাসপাতালে এসে ১০ টাকা মূল্যের একটি অ্যান্টাসিড ট্যাবলেট পেয়েছি। বাকি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে বলা হয়েছে।”

কুট্টাপাড়া গ্রামের স্বপ্না বেগম অভিযোগ করে বলেন, “ডায়াবেটিস পরীক্ষা করতে বাইরে যে মেশিনে ২৫ টাকা লাগে, হাসপাতালেও একই ধরনের মেশিনে পরীক্ষা করে ৬০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, “আমরা মাসে চারটি সিজার করে থাকি।”

সিজারিয়ান অপারেশনের রেজিস্টার দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে রাজি হননি বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতির যথাযথ ব্যবহার, নিয়মিত অস্ত্রোপচার এবং রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। এতে উপজেলার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ কম খরচে সরকারি চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।