Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাজিপুরে ডেঙ্গুর থাবা, রোগী আসছে গাজীপুর ও ঢাকা থেকে

আবদুল জলিল, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আবদুল জলিল, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে রোগীরা ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামাল দিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঞ্চম তলায় নতুন করে ডেঙ্গু ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। তবে চিকিৎসক, ওষুধ ও জনবল সংকটের মধ্যেই চলছে চিকিৎসাসেবা।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৮৮ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ৩৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত আগস্ট মাসে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন ১০ হাজার ৮০৩ জন রোগী। জরুরি বিভাগে সেবা নিয়েছেন ৭৯৫ জন এবং হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৯৮২ জন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৯৩ জন। একদিনে সর্বোচ্চ ৪২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড রয়েছে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাসেল জানান, গত এক মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীদের অধিকাংশই গাজীপুরের কোনাবাড়ী ও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। কর্মস্থলে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর তারা নিজ এলাকায় ফিরে এসে কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন।

তিনি বলেন, “নামে ১০০ শয্যার হাসপাতাল হলেও এখানে জনবল, ওষুধ ও খাবার সরবরাহ রয়েছে ৫০ জন রোগীর জন্য। বর্তমানে ৮৮ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৩৯ জন ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত জ্বরে আক্রান্ত।”

আলাদা ডেঙ্গু ওয়ার্ড চালু হওয়ায় কাজিপুর ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ডেঙ্গু রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

সরেজমিনে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোগীর চাপ বাড়লেও সে অনুযায়ী ওষুধ, জনবল ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। দ্রুত সেবার মান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনরা।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথম শ্রেণির চিকিৎসকের ৪৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১২ জন। তাদের মধ্যে পাঁচজন অন্যত্র প্রেষণে কর্মরত থাকায় কার্যত সাতজন চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। বর্তমানে প্রথম শ্রেণির ২৮টি পদ শূন্য রয়েছে।

এ ছাড়া দ্বিতীয় শ্রেণির ৩৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত ৩৪ জন, তৃতীয় শ্রেণির ১২৪টি পদের বিপরীতে ৭০ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ২৬টি পদের বিপরীতে মাত্র ৯ জন কর্মরত রয়েছেন। সব মিলিয়ে ২৩০টি পদের বিপরীতে ১৩০ জন জনবল দিয়ে চলছে হাসপাতালটির কার্যক্রম।

হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে ডা. রাসেল ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।