Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় ‘বি কোম্পানি’র নামে চাঁদাবাজি, চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হাসিব

খুলনা প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৯:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খুলনা প্রতিনিধি

খুলনায় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর তৈরি ‘বি কোম্পানি’র পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগে হাসিবুর রহমান ফরাজী ওরফে হাসিব খান (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পুলিশের দাবি, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তাদের টার্গেট করে মোবাইল ফোনে ‘বি কোম্পানি’র নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করতেন হাসিব। চাঁদা না দিলে হত্যাসহ সন্তানদের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এখন পর্যন্ত অন্তত আটজনের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে চাঁদা আদায়ের তথ্য পেয়েছে ডিবি।

গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম মহানগরের মধ্যম হালিশহরের নীলাচল আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাসিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে তিনি মুরগির ব্যবসার আড়ালে অবস্থান করছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) খুলনা মহানগর ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া।

ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারের সময় হাসিবের কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন ও চাঁদাবাজিতে ব্যবহৃত ছয়টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চাঁদা আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের দাবি। চাঁদার টাকা পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরগুলোর সঙ্গে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা সিমের নম্বরেরও মিল পাওয়া গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাসিব একসময় খুলনায় বসবাস করতেন। সেখানে তিনি খুলনার আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিকের বডিগার্ড হিসেবে কাজ করতেন। পরবর্তীতে আশিকের সঙ্গে বিরোধের জেরে খুলনা ছেড়ে চট্টগ্রামে চলে যান তিনি।

ডিবির তথ্যমতে, হাসিবের বিরুদ্ধে লবণচরা, সোনাডাঙ্গা ও খুলনা সদর থানায় অস্ত্র আইন, হত্যা, চুরি, মারামারি ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ছয়টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য, চট্টগ্রামে গিয়ে নিজের অতীত পরিচয় আড়াল করতে হাসিব মুরগির ব্যবসা শুরু করেন। তবে আগের অপরাধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সেখান থেকেই তিনি নতুন করে চাঁদাবাজির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে হাসিব জানিয়েছেন, সরকারি ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারি কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও ব্যবসায়ীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতেন তিনি। পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন করে ‘বি কোম্পানি’র পরিচয় দিতেন এবং বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা দাবি করতেন। টাকা না দিলে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হাসিবের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে খুলনা মহানগর ডিবির একটি দল চট্টগ্রামের মধ্যম হালিশহরের নীলাচল আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপকমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী হাসিব একাই চাঁদাবাজি করতেন বলে জানিয়েছেন। তবে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, কললিস্ট ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, অপরিচিত কোনো ব্যক্তি ফোন করে চাঁদা দাবি বা হুমকি দিলে আতঙ্কিত না হয়ে বিষয়টি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।