Nabadhara
ঢাকারবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে লেবার হ্যান্ডেলিং নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৫:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে লেবার হ্যান্ডেলিংয়ের নামে আমদানিকারকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় হলেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে অতিরিক্ত খরচের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়ছেন বলে দাবি করেছেন কয়েকজন আমদানিকারক।

আমদানিকারকদের অভিযোগ, বন্দরে আমদানি করা পণ্য লোড-আনলোডের জন্য টনপ্রতি নির্ধারিত হারে অর্থ নেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে পণ্য লোড করে দেওয়া হয় না। ফলে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের পরও নিজেদের খরচে পণ্য লোড করতে হচ্ছে তাদের। এতে সময় ও ব্যয় দুটোই বাড়ছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে লেবার হ্যান্ডেলিংয়ের কাজের জন্য আফতাহী ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল (এটিআই) নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদারি দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হিসেবে রুহুল আমিন ওরফে বাবুল হোসেনের নাম উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি আকতারুল ইসলাম বলেন, “আমদানিকারকদের কাছ থেকে লোড-আনলোডের টাকা নেওয়া হয়। তবে শ্রমিকদের আনলোড বাবদ ৪২-৪৩ টাকা দেওয়া হয়। লোড না করেও বাকি টাকা এটিআই ও বন্দর কর্তৃপক্ষ নেয়।”

আমদানিকারক আলাউদ্দিন বাবু বলেন, “লোড-আনলোডের টাকা নেওয়া হলেও কোনো সেবা না দিয়ে কৌশলে টনপ্রতি ২৯-৩০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। এছাড়া বন্দরে পাথর লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় পেলোডার না থাকায় সময় ও খরচ বেশি হচ্ছে। এতে ব্যবসায় লোকসান হচ্ছে।”

একই ধরনের অভিযোগ করেন আমদানিকারক সাইদুর রহমানসহ আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী। তাদের দাবি, বন্দরের অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরে মোট ১৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি হয়েছে। প্রতি টন পণ্যের লোড বাবদ ৭৬ টাকা ৮৩ পয়সা এবং আনলোড বাবদ একই পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়। অর্থাৎ লোড-আনলোড বাবদ টনপ্রতি মোট ১৫৩ টাকা ৬৬ পয়সা আদায় করা হয়েছে।

এই হিসাবে ওই অর্থবছরে লোড-আনলোড বাবদ আমদানিকারকদের কাছ থেকে মোট ২৩ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার ৭২ টাকা আদায়ের হিসাব পাওয়া যায়।

তবে এত বিপুল অর্থ আদায়ের পরও লোডিং সেবা না পাওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি আদায়কৃত অর্থের পুরো হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমরা লোড করে দিতে চাই, কিন্তু ব্যবসায়ীরা তা নেন না। গাড়ি এনে লোড করে নিতে তাদের খরচ বেশি হবে। লোডিং বাবদ আমদানিকারকদের ৩২ টাকা ফেরত দেওয়া হয়।”

তবে বাকি ৪৪ টাকা ৮৩ পয়সা কোথায় ব্যয় হচ্ছে—এ বিষয়ে তিনি কোনো হিসাব দিতে পারেননি।

লেবার হ্যান্ডেলিং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আফতাহী ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী রুহুল আমিন বাবুল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আমদানিকারকদের অভিযোগ, লেবার হ্যান্ডেলিংয়ের নামে অর্থ আদায় এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তারা এ বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত, আদায়কৃত অর্থের হিসাব প্রকাশ এবং আমদানিকারকদের প্রকৃত সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।