জাবিপ্রবি প্রতিনিধি
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি উন্নয়ন প্রকল্পের (ডিপিপি) অর্থ আগামী ছয় মাসের মধ্যে ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। একই সঙ্গে আগামী বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস ডিজিটালাইজড করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৩ অক্টোবর) জাবিপ্রবির একাডেমিক ভবন চত্বরে আয়োজিত ‘একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশন’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে শিক্ষা, যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তি বিনিময়ের লক্ষ্যে জাবিপ্রবির সঙ্গে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস, রুপল ইন্টিগ্রেট, ডাটা সফট ম্যানুফেকচারিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলি (ডিএমএ) ইনক্ লিমিটেড, ইকো-সোশ্যালি ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া।
‘তারুণ্যের ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় পর্বে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয় এভাবে চলতে পারে না। একাডেমিক ভবন, শিক্ষার্থীদের হল ও শিক্ষকদের ভবন নির্মাণে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি একটি প্রকল্প রয়েছে। উপাচার্যের সঙ্গে কাজ করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই টাকা ছাড় করানোর চেষ্টা করব।”
তিনি আরও জানান, শিক্ষক-কর্মচারীর সংকট নিরসনে ইতোমধ্যে একটি ফ্যাকাল্টি পুল ছাড় করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় ১০ জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের শিল্পভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন ও যৌথ গবেষণার সম্ভাবনা তৈরিতে এসব সমঝোতা স্মারক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সেমিনার নিয়মিত আয়োজন করা হবে।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক তোহফা মাহানূর ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক বেলাল হোসেন।

