Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ৬ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঘোড়াশাল পৌরসভায় জলাবদ্ধতা ও নিষ্কাশন সংকট, চরমে জনদুর্ভোগ

শারমিন সুলতানা, পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি
অক্টোবর ৬, ২০২৬ ১:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শারমিন সুলতানা, পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি

উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও নরসিংদীর পলাশ উপজেলার শিল্পসমৃদ্ধ ঘোড়াশাল পৌরসভার নাগরিক জীবন অপরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়ছেন বাসিন্দারা।

পৌরসভার বিস্তীর্ণ এলাকায় কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। যেসব ড্রেন আংশিকভাবে রয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশ দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় পলিথিন, বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি ও গৃহস্থালির বর্জ্য সঠিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। অনেক এলাকায় পানি চলাচলের প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম পথ না থাকায় দীর্ঘদিন পানি জমে থাকছে।

এতে বিভিন্ন সড়কে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে এসব সড়কে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাণ গেট সংলগ্ন ভাঙ্গালপাড়া ও পলাশ চরপাড়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের টেঙ্গরপাড়া ও উত্তর চরপাড়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টেকপাড়া, খালিশারটেক, মিয়াপাড়া ও দক্ষিণ চরপাড়া এলাকায় পরিস্থিতি বেশি খারাপ।

স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব এলাকার সড়ক ও বসতবাড়ির আশপাশ পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে। এতে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।

৬ নম্বর ওয়ার্ডের টেঙ্গরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মাহাবুব বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের কাছে স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছি। পৌরসভার অধিকাংশ এলাকাতেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। মাঝে মাঝে নামমাত্র সংস্কার করা হলেও এতে মূল সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।’

ভাঙ্গালপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোবারক বলেন, ‘একটু বৃষ্টি হলেই বসতবাড়িসহ রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।’

খালিশারটেক ও মিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল হক বলেন, ‘পরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণ, বেদখল নালা উদ্ধার এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ঘোড়াশাল পৌরসভার নাগরিক দুর্ভোগ আরও বাড়বে।’

ঘোড়াশাল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মো. আবু ওবায়েদ বলেন, ‘পৌরসভার মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী একটি পরিকল্পিত ও টেকসই ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক তৈরির প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে ড্রেনেজ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

ঘোড়াশাল পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘পুরো পৌরসভাকে নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে। এর আওতায় একটি ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) নেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৫০ কোটি টাকার একটি প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।