Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফরিদপুরে সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, জানেন না কমিটির একাধিক সদস্য

ফরিদপুর প্রতিনিধি
অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ৮:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যুক্ত কমিটির একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, কারা ডিলারশিপ পেয়েছেন, সে বিষয়ে তাঁরা বিস্তারিত জানেন না। অন্যদিকে, ডিলারশিপ না পাওয়া কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীর অভিযোগ, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পছন্দের ব্যক্তিদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। তবে কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিব এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেও লাইসেন্স না পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মিরাজ, তাঁতী দলের নেতা ও কৈজুরী ইউনিয়নের অ্যাডভোকেট মামুন উর রশিদ, ডিগ্রিরচর ইউনিয়নের প্রবীণ বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম এবং মো. রুবেল হোসেন দুলালসহ প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী। তাঁদের কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ ১৭ বছর হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও দল ক্ষমতায় থাকাকালে তাঁরা ডিলারশিপ পাননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সার ডিলার নিয়োগ কমিটির সভাপতি ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া এবং সদস্য সচিব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। কমিটিতে ইউনিয়ন পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, ত্রাণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সরকারি কর্মকর্তারা রয়েছেন। এ ছাড়া সাধারণ, ব্যবসায়ী ও কৃষক প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন সদস্য রয়েছেন।

কমিটির সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাবিব মামুন বলেন, তিনি কমিটিতে থাকলেও মূলত নামেই আছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানেন বলে তিনি জানান।

ত্রাণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন পাঞ্জু বলেন, সার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে তিনি তেমন কিছু জানেন না। একদিন একজন কৃষি কর্মকর্তা তাঁকে একটি ইউনিয়নে নিয়ে গিয়েছিলেন। এর বাইরে এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই।

ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. নান্নু মোল্লাও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, কারা সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তাঁর দাবি, কমিটিতে থাকলেও কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা ছিল না। নিয়োগে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সভাপতি ও সদস্য সচিব বলতে পারবেন।

তবে কমিটির সদস্য ও বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই করেই যোগ্য ব্যক্তিদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো অর্থ লেনদেন হয়নি। যারা অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলছেন, তাঁরা বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, ডিলারশিপ পাওয়া ব্যক্তিরা বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মী।

কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, তদন্ত করে যাঁদের কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেছে, তাঁদেরই লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। যারা লাইসেন্স পাননি, তাঁরাই তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন বলে দাবি করেন তিনি। নিয়োগের ক্ষেত্রে কারও কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সভাপতি মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার সরকারি মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সারের ডিলার নিয়োগে অর্থ লেনদেন ও অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।