মো. এনামুল হক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চগড় নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)-এর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও-এর উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মো. আজমির শরীফ মারজী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এর আগে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মো. আহসানুল কবীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন ২৬ সেপ্টেম্বর আদালতে সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করেন। পঞ্চগড়ের বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনো অনুমতি ছাড়া আহসানুল কবীরের সম্পত্তি হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর বা দায়যুক্ত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এরই মধ্যে আহসানুল কবীরের কিছু স্থাবর সম্পত্তিতে ‘ক্রোককৃত’ নোটিশ ঝুলানো হয়েছে। ক্রোককৃত সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে:
- নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার নিয়ামতপুর মৌজার ০৫ শতক জমি (দুইটি পৃথক দাগে ০২ ও ০৩ শতক),
- ঢাকা রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের সুরমা বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাট।
দুদক সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত শেষে সহকারী পরিচালক মো. ইমরান হোসেন ইতোমধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক আজমির শরীফ মারজী বলেন, “দুর্নীতিবাজ কেউই ছাড় পাবে না। দুর্নীতি দমন কমিশন সবসময় অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

