Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ২৩ আগস্ট ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিক্ষার্থী হ/ত্যা তদন্তে ধীরগতি,পুলিশের ভৃমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নওগাঁ প্রতিনিধি
আগস্ট ২৩, ২০২৫ ৮:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজের একসপ্তাহ পর ধান ক্ষেত থেকে কয়েক দফায় বিভিন্ন জায়গা থেকে শরীরের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। এমন হত্যাকান্ডে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। কিন্তু এ হত্যাকাণ্ডের ১০মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। মামলায় তদন্তের কোনো অগ্রগতি নেই।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় পুলিশের ভৃমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।

তারা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মোস্তাফিজুরকে। এই হত্যাকান্ডের ১০মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। মামলায় তদন্তের নেই কোনো অগ্রগতি। ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামীরা। এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ‘নাইম’ নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করলেও পরবর্তীতে জামিনে বেরিয়ে আসেন তিনি।

এরপর থেকে তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এছাড়াও সন্দেহভাজন কয়েকজনের নাম বললেও পুলিশ শুধু তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই ছেড়ে দেয়।

এদিকে পুলিশ বলছে ধীরগতিতে নয়, নিয়ম মেনে তদন্ত চলছে। মোবাইলের ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পেলেই চূড়ান্ত চার্জশিটের দিকে এগিয়ে যাওয়া হবে।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, পত্নীতলা উপজেলার মধইল বিএল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন মোস্তাফিজ। ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর আর ফেরেনি সে।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজের একসপ্তাহ পর বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ধান ক্ষেতে হাড় ও নাড়িভুঁড়ি ছড়িয়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।

এরপর তারা সেখানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ধানক্ষেতের ভেতরে একটি গর্ত দেখতে পায়। সেখানের মাটি সরিয়ে দেখে একটি অর্ধগলিত মরদেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার শার্ট ও লুঙ্গি দেখে মোস্তাফিজুরের লাশ শনাক্ত করে পরিবার। পুলিশ খবর পেয়ে কয়েক দফায় বিভিন্ন জায়গা থেকে শরীরের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে। এমন নির্মম হত্যাকান্ড এলাকাবাসীও মেনে নিতে পারেননি। দ্রুত এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবী জানান তারা।

উপজেলার মসরইল (শংকরপুর) নিহত মোস্তাফিজুর রহমানের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একমাত্র ছেলের মৃত্যুর ১০ মাস পরেও মায়ের চোখের পানি থামেনি। ঘরে ঝুলানো ছেলের স্কুলের আইডি কার্ড ও স্কুল ব্যাগ। মাঝে মাঝেই ঘরে গিয়ে ছেলের বাঁধাই করা ছবি আঁকড়ে কাঁদছেন মা। প্রিয় মুখটিকে হারানোর বেদনা কোনোভাবেই ভুলতে পারছেন না স্বজন ও এলাকাবাসী।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।