রাকিব চৌধুরী,ঢাকা
তাঁর সৃষ্টিতে ফুটে ওঠে সাম্য ও মানবতা। ক্রান্তিকালে তাঁর লেখনিই হয়ে ওঠে মুক্তির স্লোগান। কবিতা-গানে তিনিই দেখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পথ। তিনি জাতীয় কবি, প্রেম ও দ্রোহের কবি। কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন নিপীড়িত মানুষের বঞ্চনার এক বজ্রকণ্ঠ। সাম্প্রদায়িকতার বিষকে যিনি হটিয়েছিলেন ধর্ম নিরপেক্ষতার বাণীতে। যার হৃদয় ছিল ভালোবাসায় সিক্ত। তিনিই বিদ্রোহী, তিনিই গানের পাখি বুলবুল, তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল।
কবির জীবনকাল ছিল ৭৭ বছরের। তবে তিনি সৃষ্টিশীল ছিলেন মাত্র ২৩ বছর। এই সময়েই গড়েছেন নান্দনিক শিল্প, সাহিত্যকে করেছেন সমৃদ্ধ। লিখেছেন অসংখ্য কবিতা, গান, গল্প ও উপন্যাস।
নজরুল সংগীত শিল্পী ছন্দা চক্রবর্তীর ভাষ্যে, ৪৮ বছর আগে থেমে গেছে নজরুলের লেখনি। কিন্তু বেঁচে আছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। তাঁর সুর আর দীক্ষা আজও শক্তি জোগায় তরুণদের।
নজরুল সংগীত শিল্পী ও গবেষক সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নজরুলের উচ্চারণ হয়ে ওঠে মুক্তিকামী মানুষের স্লোগান। তাঁর লেখনি ছিন্ন করেছিল ঔপনিবেশিক দম্ভ। বিপ্লব, আন্দোলন ও অভ্যুত্থানে শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে ওঠে নজরুলের গান ও কবিতা।
সময়ের সাথে সাথে কবি নজরুলের প্রাসঙ্গিকতা বাড়লেও কমছে তাঁর চর্চা। অথচ নজরুলের গান-কবিতাই হলো বাঙালির অনবদ্য সাহিত্য।

