নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. তুহিনের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা শাহিদুল ইসলাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর আজ মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার শলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. তুহিন শ্রেণিকক্ষে তার ছেলেসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অকারণে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার গণিত বিষয়ে খাতায় কম নম্বর পাওয়ায় ওই শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক ফিরোজা বলেন, ঘটনাটি সত্য। আমি ওই শিক্ষকের সাথে কথা বলেছি। তিনি নিজেই আমাকে বলেছেন গণিতে খাতায় নাম্বার কম পাওয়ায় শিক্ষার্থীকে তিনি মেরেছেন। বিধি বহির্বিতভাবে তিনি তার বাড়িতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ান যা বিধি মোতাবেক অবৈধ। এ বিষয়ে আমি শীঘ্রই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করব।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষক তুহিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো শিক্ষার্থীকে মারধর করিনি। বিষয়টি ভিত্তিহীন।
অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাযহারুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তের জন্য উক্ত ক্লাস্টারের এটিও কে দায়িত্ব দিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে সে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

