যশোর প্রতিনিধি
বিশ্ব মা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে যশোরে পাঁচজন রত্নগর্ভা মা ও একজন সর্বজয়ী জননীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সম্মাননা পাওয়া মায়েদের ফুল, ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
রোববার সন্ধ্যায় শহরের ‘বাঁচতে শেখা’ মিলনায়তনে আয়োজিত মায়েদের সমাবেশ ও রত্নগর্ভা সম্মাননা অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননা পাওয়া পাঁচ রত্নগর্ভা মা হলেন শাহানারা বেগম, সামসুননাহার বেগম, জুলেখা খাতুন, আফরোজা হক ও মিসেস মাহমুদা বেগম। এছাড়া সর্বজয়ী জননী হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন ‘বাঁচতে শেখা’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. অ্যাঞ্জেলা গমেজ।
বিশ্ব মা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হাবিবা শেফার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রওশন আরা রাসুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম মারুফ, শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান, যশোর সদর হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক উপ-সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল খালেক, যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এ জেড এম সালেক স্বপন, জয়তী সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক অর্চনা বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারুন অর রশিদ ও অধ্যাপক সুরাইয়া শরীফ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একজন মায়ের ত্যাগ, ভালোবাসা ও সঠিক শিক্ষাই সন্তানকে সুশিক্ষিত ও সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মায়েদের অবদান অনস্বীকার্য।
সম্মাননা পাওয়া রত্নগর্ভা মা শাহানারা বেগমের চার সন্তানই চিকিৎসক এবং বিসিএসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন।
সামসুননাহার বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে একজন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, একজন যশোর শাহীন কলেজের শিক্ষক এবং অপরজন সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক।
জুলেখা খাতুনের সাত সন্তানই মাস্টার্স ডিগ্রিধারী। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, একজন ব্যাংক কর্মকর্তা, একজন হোমিও চিকিৎসক, একজন সাবেক ব্যাংকার, একজন ব্র্যাক কর্মকর্তা এবং দুইজন পুলিশ বিভাগের সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত।
আফরোজা হকের তিন সন্তানের মধ্যে একজন ব্যাংকার, একজন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক এবং অন্যজন আইনজীবী।
অন্যদিকে মিসেস মাহমুদা বেগমের তিন সন্তানই মাস্টার্স ডিগ্রিধারী। তাদের মধ্যে একজন গৃহিণী, একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং অপরজন একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছেন।

