Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ১৩ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কয়রায় দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের তাগিদ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
মে ১৩, ২০২৬ ৩:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

উপকূলীয় জনপদ কয়রায় ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, আম্পান, ইয়াস ও রিমালের ভয়াবহ স্মৃতি এখনও মানুষের মনে দাগ কেটে আছে। এ প্রেক্ষাপটে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভায়।

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে কয়রা উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগ্রত যুব সংঘ (জেজেএস)-এর সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, কয়রা অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কার্যক্রমে পুনরাবৃত্তি দেখা যায়। তাই আগামী সভায় সব এনজিওকে তাদের কার্যক্রম উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে প্রয়োজনভিত্তিক (নিড বেইজড) জরিপের মাধ্যমে প্রকৃত চাহিদা নিরূপণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সমীর কুমার সরকার বলেন, কয়রার ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানতে পারে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ধারণক্ষমতা পুনর্মূল্যায়ন এবং গবাদিপশুর জন্য আলাদা নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগকালে অতিরিক্ত চাপের কারণে আশ্রয়কেন্দ্রে নারী-পুরুষের পৃথক ব্যবস্থা ও স্যানিটেশন সংকট দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় আরও কার্যকর করা প্রয়োজন।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল জাবির বলেন, কিছু এনজিও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নাম ব্যবহার করে সমন্বয় ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা সঠিক নয়। তিনি সকল কার্যক্রম উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে করার আহ্বান জানান।

সভায় জাগ্রত যুব সংঘের প্রকল্প কর্মকর্তা অশোক কুমার জানান, ‘প্রস্তুতি’ প্রকল্পের মাধ্যমে গত দুই বছরে কয়রায় দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হয়েছে। এ সময় ১২ হাজার ৫৯টি দরিদ্র পরিবার উপকৃত হয়েছে। এছাড়া ৩৬টি দুর্যোগ সহনশীল টয়লেট, ৩৬টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা, ৩৬টি নলকূপের পাটাতন উঁচুকরণ এবং ৫.১৬৮ কিলোমিটার সাইক্লোন শেল্টার সংযোগ সড়ক সংস্কার করা হয়েছে।

সভায় বক্তারা বলেন, শাকবাড়িয়া, কয়রা ও কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী প্রায় ৯ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে বা জোয়ারের পানিতে উপচে লোকালয়ে লোনাপানি প্রবেশ করতে পারে। তাই এসব ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান তারা।

সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।