তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগনের সেবক হয়ে অসহায় মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেন। তিনি ভালো থাকলে দেশ ও দেশের মানুষ ভালো থাকবে। প্রতিমন্ত্রী আজ শনিবার সকাল দশটায় কলম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন পর্যায়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় উপজেলার কলম ইউনিয়নের সুবিধাভোগীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ইউপি চেয়ারম্যান মইনুল হক চুনু সভায় সভাপতিত্ব করেন।
পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হচ্ছেন ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’। পিতা-মাতা-ভাই এবং স্বজনদের হারিয়ে মানুষের কল্যাণে তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রতিবন্ধীদের জন্যে সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ছাড়াও তাদের জন্যে ভাতার ব্যবস্থা করেছেন, পরিধি ও সংখ্যা বৃদ্ধি করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার প্রচলন করেন। ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত এসব ভাতা লক্ষ মানুষের জীবনকে স্বাচ্ছন্দময় করেছে। প্রত্যেক পরিবারে কোন না কোন সদস্য এখন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর আওতায় আছেন। এসব ভাতা গ্রহীতারা মাস শেষে নিদিষ্ট অর্থ হাতে পান-যা তাদের পারিবারিক মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চাওয়া, এসব ভাতাভোগীদের অবস্থা জানা। তাই তাঁর নির্দেশনায় আমি আপনাদের কাছে এসেছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত দেড় দশকে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভুতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগনের দোর-গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিয়েছেন। শতভাগ বিদ্যুতের আলোয় গ্রামগুলো এখন উন্নয়নের মুখরিত জনপদ। রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়াও এসব ক্ষেত্রে সেবার পরিধি বেড়েছে বহুগুণে। প্রযুক্তি ও যান্ত্রিকীকরণ, সকল উপকরণের সহজলভ্যতার মাধ্যমে কৃষিতে এখন আমরা সমৃদ্ধ দেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজন্ম লালিত স্বপ্ন পূরণে জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। জনগনের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়নে সর রকমের পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধারা আরো বেগবান হবে।
প্রতিমন্ত্রী পলক পরে মহিষমারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলার চামারী ইউনিয়নে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সুবিধাভোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

