Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ২৩ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুন্সীগঞ্জে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতিপদ নিয়ে বিতর্ক

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মে ২৩, ২০২৬ ১০:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সভাপতিপদ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, নিয়মবহির্ভূতভাবে ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত জেলা জজ মোহাম্মদ আবদুল হালিমকে কমিটির সভাপতি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হোসেন খসরুর বিরুদ্ধেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রথম দফায় তিনজনের নাম প্রস্তাব পাঠানো হয়। ওই তালিকায় ছিলেন মো. রুবেল ঢালী, শেখ মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন মামুন ও পূজা রাজবংশী।

পরে ২১ মে আগের তালিকা প্রত্যাহার করে নতুন তালিকা পাঠানো হয়। নতুন তালিকায় প্রথমে রাখা হয় বিচারক মোহাম্মদ আবদুল হালিমের নাম, পাশাপাশি মো. রেজাউল করিম ও মো. মেহেদী হাসানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নতুন তালিকায় বিচারকের বর্তমান কর্মস্থল ও পেশাগত পরিচয় গোপন করে তাকে ‘স্থানীয় শিক্ষানুরাগী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ তিনি ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনালে কর্মরত একজন বিচারক।

স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের নীতিমালা অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে স্থানীয় সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী এই প্রস্তাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হোসেন খসরু বলেন, তিনি কারও পক্ষ নেননি এবং ওপর মহলের চাপে পড়ে নতুন তালিকা পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন।

প্রথম তালিকায় থাকা সাবেক সভাপতি মো. রুবেল ঢালী অভিযোগ করে বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই আগের তালিকা বাতিল করে নতুন তালিকা পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা জজ মোহাম্মদ আবদুল হালিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা এ প্রক্রিয়াকে অস্বচ্ছ ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।