মোরেলগঞ্জে এক শিক্ষক ভাইয়ের বর্বরোচিত কান্ড জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষক ভাইয়ের ফলন্ত কলাগাছ কেটে প্রতিহিংসা চরিতার্থ। একের পর এক হয়রানি থানায় মুচলেকা দিয়েও থেমে নেই প্রভাবশালী ওই শিক্ষক ভাই।
জানা গেছে, হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বড় বাদুরা গ্রামের কৃষক মো. মোয়াজ্জেম হাওলাদারের পৈত্রিক ভোগদখলীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের জন্য অপন সহোদর শিক্ষক হাওলাদার মোস্তফা মাহমুদ লোকজন নিয়ে শুক্রবার কৃষক মোয়াজ্জেমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ২০/২৫টি ফলন্ত কলাগাছ কেটে ফেলে রেখে যায়। এতে ওই কৃষকের প্রায় ১৫ হাজার ক্ষতিস্বাধন করেছে হামলাকারিরা।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোয়াজ্জেম হাওলাদার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ২০০৭ সাল থেকে পিতার দেওয়া পারিবারিক বন্টননামা অনুযায়ী ২৫শতক পৈত্রিক সম্পত্তি ও নিজের ক্রয়কৃত ৭ শতক মোট ৩২ শতক জমিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে। পিতার বাকি জমিতে অন্য ভাইয়েরা নিজ নিজ ভোগ দখল করছে। তার পরেও একের পর এক হয়রানি করছে তাকে। তারই আপন ভাই গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হাওলাদার মোস্তফা মাহমুদ গত বছরেও কৃষকের ওই বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিস্বাধন করে। এ ঘটনায় তখন থানায় অভিযোগ দিলেও মুচলেকা দিয়েও ক্ষ্যান্ত হয়নি ওই শিক্ষক। আবারও হামলা চালিয়ে গাছ কেটে ফেলেছে। ইতোপূর্বে পারিবারিক জমি নিয়ে মোকাম মোরেলগঞ্জ বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালত বাগেরহাট মোয়াজ্জেম হাওলাদার বাদি হয়ে ১৮৪/১৮ মামলা দায়ের করেছেন। সে মামলাটি এখন চলমান বিচার সম্পন্নের পথে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ওই কৃষক। তিনি গাছ কর্তনের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের প্রতি।
এ বিষয়ে হাওলাদার মোস্তফা মাহমুদ নবধারা কে বলেন, তিনি তার নিজ জমির গাছ কেটেছেন। অন্য কারোর জমির গাছ কর্তন করেননি। এ ব্যাপারে এলাকায় না না ধরনের নৈতিক স্খলনের মুখরোচক গল্প চলছে।

