এস এম শরিফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, নড়াইল
নড়াইল শহরের বাণিজ্যিক কেন্দ্র রূপগঞ্জ বাজারের ভূঁইয়া শপিংমলে চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরের দল ৯টি দোকানের শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও মালামাল নিয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার পরে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, ভূঁইয়া শপিংমলের একটি থাই গ্লাসের জানালা খুলে চোরেরা মার্কেটের ভিতরে প্রবেশ করে। ৫ থেকে ৬ জন চোরের সবাই মুখ বাঁধা ছিল। ভেতরে প্রবেশ করে তারা প্রথমে সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে। এরপর শাবল বা লোহার রড দিয়ে পর্যায়ক্রমে ৯টি দোকানের শাটার ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় আবজাল সু-স্টোর, অঙ্গশোভা গার্মেন্টস, আপন বস্ত্রালয়, পাঞ্জাবী হাউজ, সুনন্দা গার্মেন্টস, আরকে টেইলার্স, ব্রান্ড বাজার, আরাফি ফ্যাশন ও রুবেল স্টোরে চুরি সংঘটিত হয়। চোরেরা নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
দোকান মালিকরা জানান, ব্রান্ড বাজার থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা, আবজাল সু-স্টোর থেকে ৫৯ হাজার টাকা, অঙ্গশোভা গার্মেন্টস থেকে ২৮ হাজার টাকা ও রুবেল স্টোর থেকে ১০ হাজার টাকাসহ অন্যান্য গার্মেন্টস দোকান থেকে কমবেশি টাকা নিয়ে গেছে। এছাড়া মূল্যবান জিনিসপত্রও নিয়ে গেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
আবজাল সু-স্টোরের মালিক সৈয়দ ওসিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাই। ক্যাশবাক্সে ৫৯ হাজার টাকা ছিল, কিন্তু চোরেরা টাকা নিয়ে গেছে।
অঙ্গশোভা গার্মেন্টসের মালিক ওয়াহেদ জামাল বলেন, নিরাপদ মনে করেই সারাদিনের বিক্রির ২৮ হাজার টাকা রাতে ক্যাশবাক্সে রেখে বাসায় চলে যাই। কিন্তু চোরেরা শাটার ভেঙে নগদ টাকা নিয়ে যায়। এছাড়া দোকান থেকে আর কী কী নিয়েছে তা এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।
নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাজেদুল ইসলাম বলেন, সকালে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মার্কেটটিতে কোনো সিকিউরিটি গার্ড নেই। তবে মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় দুটি ব্যাংক রয়েছে। গুরুত্ব বিবেচনায় মার্কেটের মালিককে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। চুরির ঘটনায় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। চোরদের শনাক্ত করে আটক করার ব্যাপারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

