নিজস্ব প্রতিবেদক, কচুয়া (বাগেরহাট)
বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে কচুয়ায় সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অবরোধ ও কর্মবিরতি পালিত হয়েছে। এ কর্মসূচির কারণে বাগেরহাটসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যান্য জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
সকালে কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড গোলচত্বরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে অবরোধকারীরা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে, গাছ ফেলে এবং বেঞ্চ বসিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। আন্দোলনে অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।
অবরোধের সমর্থনে কচুয়া উপজেলা গেট এলাকায় সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির সভাপতি ও কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরদার জাহিদ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য খান মনিরুল ইসলাম, কচুয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. হুমায়ুন কবির, সাবেক আহ্বায়ক হাজরা আসাদুল ইসলাম পান্না প্রমুখ।
অবরোধের প্রভাব পড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত ও কলকারখানায়। জরুরি সেবা ও পরীক্ষার্থীবাহী যানবাহন ছাড়া অধিকাংশ যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
একই দাবিতে জেলার অন্যান্য এলাকায়— ফকিরহাট-নওপাড়া-কাটাখালি, বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও নির্বাচন অফিস, মোল্লারহাট-চিতলমারী-মোল্লারহাট ব্রিজ এলাকায়ও পালিত হয় কর্মসূচি।
অবরোধ চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল অব্যাহত ছিল।
আগামীকাল ঢাকায় বাগেরহাটের আসন পুনরুদ্ধার মামলার শুনানিতে অংশ নিতে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ঢাকায় যাবেন বলে জানানো হয়েছে।

