এস আই মল্লিক, ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ক্রয়কৃত জমি ও বাড়ি দখল এবং হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল ওহাব। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুল ওহাব জানান, ২০২২ সালে কালীগঞ্জ পৌর শহরের ফয়লা গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে লতিফুল আলম সহিদুলের নিকট থেকে পুরাতন বাড়িসহ ৫ শতাংশ জমি তিনি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের সময় বিক্রেতা ওই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরে সহিদুলের আবেদনে মানবিক কারণে তিনি পাঁচ মাস বসবাসের অনুমতি দেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্ধারিত সময় পার হলেও সহিদুল বাড়ি ছাড়েননি। একাধিক শালিস ও পুলিশি হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও তিনি তালবাহানা করেন। এমনকি ওই জমি বাবদ সহিদুল ব্র্যাক ব্যাংক থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে সুদ মওকুফ করে ৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা পরিশোধের মাধ্যমে তিনি (আব্দুল ওহাব) ব্যাংক থেকে জমিটি মুক্ত করেন। এ পর্যন্ত জমি ও মামলা সংক্রান্ত ব্যয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা খরচ হলেও এখনও তিনি জমি বুঝে পাননি।
অভিযোগে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সহিদুল অতিরিক্ত ৭ লাখ টাকা দাবি করছে যা চাঁদাবাজির সামিল। এছাড়া তার নামে ৬টি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে ভোগান্তিতে ফেলেছে। সহিদুলের বিরুদ্ধে প্রতারণার একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আব্দুল ওহাব জানান, ইতোমধ্যে জমি উদ্ধারে আদালতে উচ্ছেদ মামলা করেছেন যা বিচারাধীন রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ক্রয়কৃত জমি ও বাড়ি দখলমুক্ত করা, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কথিত প্রতারক লতিফুল আলম সহিদুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

