Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ১৬ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নড়াইলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪৫ হাজারের বেশি গবাদি পশু

স্টাফ রিপোর্টার, নড়াইল
মে ১৬, ২০২৬ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার, নড়াইল

আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে নড়াইলের খামারিরা এখন শেষ মুহূর্তের ব্যস্ত সময় পার করছেন। জেলায় চাহিদার তুলনায় পশু বেশি রয়েছে। খামারিরাও লাভের আশা করছেন এবছর। তবে জেলায় এবার ৪৫ হাজার ৪৯৭টি পশু লালন-পালন করা হয়েছে। পশু মোটাতাজাকরণের খরচ বাড়ায় আশানুরূপ দাম পাওয়া নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারিরা। দেশি গরু, শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান, ফ্রিজিয়ান শাহিওয়ালসহ উন্নত জাতের গরু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা।

শুক্রবার বিকালে নড়াইল সদর উপজেলার বাঁশগ্রামের রাহুল এগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, গরু ক্রেতা আবদুল্লাহ আল-মারজান বলেন, হাটের ভিড় এড়াতে ও সুস্থ-সবল গরু কেনার জন্য আমরা সরাসরি খামারে এসেছি। এছাড়া শেষ সময়ের দিকে হাটে গরুর দাম চড়া থাকে। অনেক সময় দালদের চক্করে পড়তে হয়। এছাড়া হাটে অনেক কষ্ট হয়। এ জন্য খামারে গরু কিনতে এসেছি, তবে দামটা একটু বেশি চাচ্ছে।

রাহুল এগ্রো ফার্মের মালিক রাহুল বলেন, প্রতি বছর আমার খামারে কোরবানির জন্য ষাঁড় প্রস্তুত করা হয়। এবছর ছোট-বড় মিলে খামারে ১০টি ষাঁড় রয়েছে। তবে খাবারের দাম বেশি হওয়ায় ষাঁড় বিক্রি করে লাভ করতে পারবো কি না তা নিয়ে চিন্তায় আছি। ষাঁড়গুলোকে আমরা সন্তানের মতোই লালন-পালন করেছি।

সোহাগ মিনা নামে আরেক খামারি বলেন, ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে গরু আসা বন্ধ হলে গরুর সঠিক মূল্য পাব আশা করি। তিনি আরও বলেন, খৈল, ভুসি, খড়, খুদ, চিটাগুড়, ঘাসসহ সব জিনিসেরই দাম ঊর্ধ্বমুখী। প্রতি কেজি গমের ভুসি ৫ থেকে ৬০ টাকা, চালের কুড়া কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ভুট্টা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, ঘাসের আঁটি ২০ টাকা। এ ছাড়া বিছালি কাউন প্রতি ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এ বছর খরচ বেশি। খরচ অনুযায়ী দাম না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত হব।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ৪৫ হাজার ৪৯৭টি গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৮৭৪টি ষাঁড়, ৬৩৯টি বলদ, ৫ হাজার ১৪১টি গাভী, ২৪ হাজার ৭৮টি ছাগল এবং ৫টি ভেড়া। তবে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩টি। উদ্বৃত্ত থাকছে ৫ হাজার ৭৬৪টি। এ পশুগুলো অন্য জেলায় বিক্রি করা হবে।

নড়াইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হক বলেন, আমরা খামারিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি যাতে তারা কৃত্রিমভাবে গরু মোটাতাজাকরণ না করে। এ বছর জেলার ৩টি উপজেলায় ১০টি কোরবানি পশুর হাট বসবে। এসব হাটে অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত পশু শনাক্তে ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম থাকবে। পশুখাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় এবার খামারিদের হয়ত অল্প লাভে সন্তুষ্ট থাকতে হতে পারে, তবে পশুর স্বাস্থ্য নিয়ে আপস করছি না।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।