রাসেল আহমেদ, খুলনা প্রতিনিধি
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। বুধবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয়ে এ অভিযান চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা, রাত ১টা পর্যন্ত। তবে অভিযানে তাকে না পেয়ে খালি হাতেই ফিরে যায় যৌথবাহিনীর সদস্যরা।
ঘটনার সত্যতা খুলনা জেলার একাধিক প্রশাসনিক সূত্র নিশ্চিত করলেও—এ বিষয়ে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। অভিযানের পরদিন বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।
একটি সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মোল্লা ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করে। তার বিরুদ্ধে খুলনার খানজাহান আলী হকার্স মার্কেটে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।
ওই সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি ১১ ও ১২ আগস্ট খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানা ও সদর থানায় তার বিরুদ্ধে দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এর প্রেক্ষিতেই খুলনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট দীপংকার দাশ স্বাক্ষরিত একটি পত্রে মোল্লা ফরিদ আহমেদকে আটক বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মতামত চাওয়া হয়।
বুধবার রাতে যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হোসাইন মাসুমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে অভিযানের পর থেকে মোল্লা ফরিদ আহমেদের অবস্থান নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

